ঢাকা, -

আলোচিত সংবাদ

কালিদাস ট্যাংক পুকুর’র নাম পরিবর্তনে মাশরাফি জড়িত নন: জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান

ছবিঃ সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

নড়াইলের কালিদাস ট্যাংক পুকুরের নাম পরিবর্তনের সঙ্গে স্থানীয় সংসদ সদস্য ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মর্তুজাকে জড়িত বলে ফেসবুকে যে সমালোচনা উঠেছে, তা ঠিক নয় বলে জানিয়েছেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সুবাস চন্দ্র বোস। 

সোমবার (২৯ মে) বিকালে জেলা পরিষদের নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘কালিদাস ট্যাংক পুকুর নামটি বদলে ফেলার জন্য নড়াইল পৌরসভার মেয়র আঞ্জুমান আরা দায়ী। নড়াইল-২ (সদর ও লোহাগড়া) আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজার সঙ্গে এই পরিবর্তনের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

তিনি বলেন, ’১৯০৭ সালে তৎকালীন জমিদার কালিদাস দুই একর পাঁচ শতক জায়গার ওপর পুকুরটি খনন করেন। নামকরণ করা হয় ‘কালিদাস ট্যাংক’। পরবর্তীতে পুকুরটি জেলা পরিষদের অধীন হয়। জেলা পরিষদের মালিকানাধীন পুকুরটি দখল করে পৌর কর্তৃপক্ষ প্রকল্প দিয়েছে। নড়াইল পৌর কর্তৃপক্ষ কালিদাস ট্যাংক পুকুরের নাম পরিবর্তন করে ‘লাল মিয়া বিউটিফিকেশন’ নামে প্রকল্প দিয়েছে।’

আরও পড়ুন  যাদের নিয়ে গঠিত হতে পারে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার

সুবাস বোস আরও বলেন, মাশরাফি আমাকে দ্রুত সময়ের মধ্যে লাল মিয়া বিউটিফিকেশনের নাম পরিবর্তন করে কালিদাস ট্যাংক নামের ফলক লাগাতে বলেছেন। জেলা পরিষদ প্যানেল চেয়ারম্যান খোকন কুমার সাহা, জেলা হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক মলয় নন্দী, নড়াইল জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অশোক কুণ্ডু, সদর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নিখিল সরকার, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শেখ আশরাফুজ্জামান মুকুল, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক স্বপ্নীল সিকদার নীল, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সিদ্ধার্থ সিংহ পল্টু প্রমুখ সংবাদ সম্মেলনে ছিলেন।

আরও পড়ুন  সেপ্টেম্বরে আসবে রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জ্বালানি

জেলা শহরের মহিষখোলা মৌজায় নড়াইল পৌর ভবনের উত্তর পাশে এ পুকুরের অবস্থান। পুকুরটি অনেক বছর ধরে মজা অবস্থায় পড়ে ছিল। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে আইইউআইডিপি নামে একটি প্রকল্প নেয় পৌর কর্তৃপক্ষ। পাঁচ কোটি ৮৮ লাখ টাকার প্রকল্প। এখানে চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের ডাকনাম ‘লাল মিয়া’ অনুসারে প্রকল্পটির নাম দেওয়া হয় ‘লাল মিয়া পুকুর বিউটিফিকেশন’। পুকুরটি গভীর করার পাশাপাশি এর পাশে হাঁটার পথ, বসার ব্যবস্থা, আলোকসজ্জাসহ বিভিন্ন ধরনের সৌন্দর্যবর্ধন করার কথা প্রকল্পে উল্লেখ করা হয়। প্রকল্প পাসের পর গত বছর ২২ সেপ্টেম্বর উদ্বোধন করেন মাশরাফি বিন মর্তুজা।

তবে নাম পরিবর্তনের জন্য মাশরাফি দায়ী নন বলে জানিয়েছেন নড়াইল পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আঞ্জুমান আরা। কে নাম পরিবর্তন করেছে সে সম্পর্কে তিনি বলেন, বিগত মেয়র জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন বিশ্বাসের সময় প্রকল্পটি নেওয়া হয়। সেখানে বস্তুত নাম পরিবর্তন করা হয়নি। প্রকল্পটির নাম দেওয়া হয় ‘নড়াইল পৌর লাল মিয়া পুকুর বিউটিফিকেশন, স্লোপ প্রটেকশন অ্যান্ড ওয়াকওয়ে অ্যাট কালিদাস পন্ড অ্যাট মহিশখোলা আন্ডার নড়াইল পৌরসভা’।

আরও পড়ুন  শপথ নিলেন নতুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী

মেয়র বলেন, এখানে কাউকে ছোট বা বড় করার জন্য নাম পরিবর্তন করা হয়নি। উদ্বোধনের সময় তাৎক্ষণিকভাবে নামফলকটি করা হয়েছিল। সে কারণে প্রকল্পের পুরো নামটি আসেনি। কাজ শেষ হলে নতুন নামফলক লাগানো হবে বলে তিনি জানান।

ট্যাগঃ

আলোচিত সংবাদ

এ বিভাগের আরও

সর্বশেষ