নেপালে ‘জেন জি’ বিক্ষোভে তরুণদের দাবি মেনে ভেঙে দেওয়া সংসদ পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন দেশটির প্রধান আটটি রাজনৈতিক দল।
অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সুশীলা কার্কিকে নিয়োগ দেওয়ার পর বিদ্যমান সংসদ ভেঙে দেন প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাওডেল। সেই সঙ্গে আগামী মার্চেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষণা দেন তিনি।
বিবিসির খবরে বলা হয়, তবে রাষ্ট্রপতির এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাতে পারেনি নেপালের রাজনীতিবিদরা। গত শনিবার প্রেসিডেন্ট পাওডেলের কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদনে প্রভাবশালী ওই নেতারা অভিযোগ করেন, যে প্রক্রিয়ায় সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়েছে, তা সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক।
নেপালি কংগ্রেস, সিপিএন-ইউএমএল ও মাওবাদী কেন্দ্রসহ আটটি প্রধান রাজনৈতিক দল এক যৌথ বিবৃতিতে জানায়, রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত সংবিধানবিরোধী এবং নেপালের বিচার বিভাগের আইন পরিপন্থী।
তবে শনিবার রাতে বিক্ষোভরতদের সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি পাওডেল বলেন, সংবিধান ও সংসদীয় ব্যবস্থা বহাল আছে এবং ফেডারেল গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র বিদ্যমান। আগামী ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করে আরও কার্যকর গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান জেনারেল অশোক রাজ সিগদেলের মধ্যস্থতায় শুক্রবার নেপালের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন সুশীলা কার্কি। তার সুপারিশ মেনে সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির মন্ত্রিসভা ভেঙে দিয়ে নতুন নির্বাচনের সময়সূচী ঘোষণা করেন রাষ্ট্রপতি পাওডেল। এতে সন্তোষ জানান বিক্ষোভরত তরুণ ছাত্র-জনতা। আগের সংসদ ভেঙে দিয়ে নতুন করে জাতীয় নির্বাচনের তারিখ ঘোষণাও তাদের দাবি অনুযায়ী হয়েছে।
এদিকে, সুশীলা কার্কির শপথের পর কাঠমান্ডুসহ দেশের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সেনারা নিজ নিজ ব্যারাকে ফিরে গেছেন। সেইসঙ্গে স্বাভাবিক কর্মজীবনে ফিরতে শুরু করেছেন দেশটির জনগণ।














