পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট থেকে মুক্তির আদেশ পাওয়ার পর ইমরান খান একটি বিবৃতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমি পাকিস্তানে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চাই।
ইমরান খান তার সমর্থকদের বলেছেন যে তাদের সরকারি এবং ব্যক্তিগত সম্পত্তির ক্ষতি করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
পাকিস্তানের সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি দেশের কোনো ক্ষতি চাই না এবং জনগণকে উসকে দিতে চাই না। আমি শুধু অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চাই।
দেশটির সর্বোচ্চ আদালতকে পিটিআই প্রধান বলেন, তিনি জাতীয় জবাবদিহি ব্যুরোর (এনএবি বা ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টেবিলিটি ব্যুরো) নোটিশের জবাব দেওয়ার পরও তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
তাকে গ্রেফতারের পর পাকিস্তানে কী ঘটছে তা তিনি জানেন কিনা? আদালতের এমন প্রশ্নের জবাবে ইমরান খান বলেন, তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছিল এবং দেশে কী ঘটছে সে সম্পর্কে তিনি অবগত ছিলেন না।
তারপর পিটিআই প্রধান তাকে নিজের বাড়িতে ফেরত পাঠানোর জন্য পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতিকে অনুরোধ করেন। কিন্তু দেশটির শীর্ষ আদালতের ওই বিচারক তাকে বলেছিলেন, তিনি এটা করতে পারবেন না। তবে তিনি তাকে আশ্বস্ত করেছেন যে তিনি পুলিশ লাইন গেস্ট হাউসে শান্তিতেই থাকবেন।
এরপর ইমরান খানকে পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি উমর আতা বন্দিয়াল বলেন, আপনি ওই পুলিশ লাইন গেস্ট হাউসে থাকতে পারবেন এবং আপনার দলের নেতা ও আত্মীয়দের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন। এরপর তিনি তাকে আগামীকাল ইসলামাবাদ হাইকোর্টে যেতে বলেন।
দেশটির প্রধান বিচারপতি কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন যে ইমরান খানকে তার আইনজীবী, বন্ধু-বান্ধব ও পরিবারের সদস্যসহ অন্যদের সঙ্গে দখা করার অনুমতি দিতে। তবে একসঙ্গে ১০ জনের বেশি লোকের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন না তিনি।
সূত্র- জিও নিউজ, ডন














