ঢাকা, -

আলোচিত সংবাদ

মীরসরাইয়ে আবারও অস্ত্র ঠেকিয়ে দুর্ধষ ডাকাতি, স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা লুট

ছবি- সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

‎মীরসরাইয়ে গভীর রাতে দরজার তালা ভেঙে ঘরে ঢুকে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার ১২নং খৈইয়াছড়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের পূর্ব খৈইয়াছড়া গ্রামের ভেন্ডরপাড়া এলাকার কলিমুল্লাহ ভেন্ডর বাড়ি মোহাম্মদ হানিফের ঘরে এই ঘটনা ঘটে।

‎পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ডাকাতদল দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্র দেখিয়ে পরিবারের সদস্যকে জিম্মি করে ঘরের কর্তা হানিফকে গামছা দিয়ে হাত মুখ ও চোখ বেঁধে রাখে।

আরও পড়ুন  চকরিয়ায় গৃহকর্কমীকে হত্যা করে ডিপ ফ্রিজে মরদেহ

এরপর তাদের বেঁধে মুঠোফোন, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে।
‎
‎ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে মোহাম্মদ হানিফ জানান, রাতে পরিবারের সদস্যরা সবাই ঘুমিয়ে পড়লে দরজার বাইরে শব্দ শুনতে পাই। সামনের কক্ষের লাইট জ্বালিয়ে খেয়াল করি দরজার বাইরে কেউ চলাচল করছে। রড দিয়ে দরজার তালা ভাঙার চেষ্টা করছে। আমরা তখন ডাকাত ডাকাত বলে শোরচিৎকার করি।

কিছু বুঝে উঠবার আগেই দ্রুত মুখে মুখোশ ও পরনে শর্ট প্যান্ট পড়া ডাকাতদল ঘরে ঢুকে আমাদের জিম্মি করে। আমাকে রড দিয়ে আঘাত করে।

আরও পড়ুন  ‘আমার ভাইয়ের ওপর হামলা কেন, ইন্টেরিম জবাব দে’ শ্লোগানে উত্তাল চট্টগ্রাম

হানিফ আরও জানান, পরবর্তীতে ডাকাতদলের সদস্য গামছা দিয়ে আমার চোখ হাত পা বেঁধে ফেলে। আমার স্ত্রী থেকে আলমিরার চাবি নেয়। তাদের ঘাড়ে দেশীয় অস্ত্র ধরে রাখে। আমার ছোট বাচ্চাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। তারা আমার ঘরে থাকা ৩টি মুঠোফোন, আনুমানিক ৬ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ ১৫ হাজার টাকা নিয়ে যায়।

আরও পড়ুন  শিবচরে রেলিং ভেঙে যাত্রীবাহী বাস খাদে, নিহত ১৪

ঘরের ভেতর ৬ জন ডাকাত প্রবেশ করলেও বাইরে আরও কয়েকজন পাহারায় ছিল।

মীরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার বলেন, ডাকাতির ঘটনার বিষয়ে অবগত নয়। আমি এখনই পুলিশের টিম পাঠাচ্ছি৷ আমরা খৈইয়াছড়া ইউনিয়নে আলাদা টিম রেখেছি পুলিশের। আমাদের দিক থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি ডাকাত নিয়ন্ত্রণে।

একের পর এক ডাকাতির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং রাতে স্থানীয়রা পাহারা বসাতে বাধ্য হচ্ছেন।

ট্যাগঃ

আলোচিত সংবাদ

এ বিভাগের আরও

সর্বশেষ