ঢাকা, -

আলোচিত সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্ত নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত

ছবি- সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

কয়েক দিন ধরেই হাজার হাজার মানুষ দাঁড়িয়ে আছেন যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে। এত পরিমাণ মানুষ একসঙ্গে সীমান্তে এসে এর আগে সেই অর্থে কখনো দাঁড়াননি। তারা সীমান্ত পেরিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে চান। পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে মেক্সিকোর সঙ্গে সমস্ত সীমান্ত বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। তবে বৃহস্পতিবার সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়েছে। মেক্সিকো এবং যুক্তরাষ্ট্রর প্রশাসন যৌথ বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, সীমান্ত আবার খুলে দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন  বেগম জিয়ার আদর্শ তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন পথচলা নিশ্চিত করবে: ভারতের প্রধানমন্ত্রী

বৃহস্পতিবারই এ বিষয়ে আলোচনা করতে মেক্সিকোয় গেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন। মেক্সিকোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তার বৈঠক হয়েছে। এরপরেই একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। সেখানেই সীমান্ত খোলার সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

অভিবাসনপ্রত্যাশীদের নিয়ে ঘরে বাইরে তুমুল চাপের মুখে বাইডেন প্রশাসন। একদিকে মেক্সিকো সীমান্তে হাজার হাজার মানুষ দাঁড়িয়ে। অন্যদিকে রিপাবলিকানদের দাবি সরকারকে এবিষয়ে কড়া সিদ্ধান্ত নিতে হবে। প্রয়োজনে ইউক্রেনে যে সাহায্য পাঠানো হচ্ছে, সেই বাজেট কমিয়ে মেক্সিকো সীমান্ত সুরক্ষিত করতে হবে।

আরও পড়ুন  বুয়েটে জঙ্গি তৎপরতার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

উল্লেখ্য, মার্কিন পার্লামেন্টে নিম্নকক্ষে এখন রিপাবলিকানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। ফলে মার্কিন কংগ্রেসে প্রবল চাপের মুখে বাইডেন।

মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত ট্রেন চলে। একাধিক সেতু আছে। যেখান দিয়ে সীমান্ত পারাপার হয়। বৈধ সেই রাস্তাগুলি নতুন করে খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মেক্সিকো তাকে স্বাগত জানিয়ছে। তবে দুই দেশ ঠিক করেছে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের নিয়ে দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত বৈঠক হবে বলেও সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন  আ.লীগের ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

প্রসঙ্গত, মধ্য যুক্তরাষ্ট্রর বিভিন্ন দেশ থেকে অভিবাসনপ্রত্যাশীরা মেক্সিকোয় এসে ভিড় জমান। তারা মেক্সিকো দিয়ে অবৈধ রাস্তা ধরে যুক্তরাষ্ট্রে ঢোকার চেষ্টা করেন। তবে সম্প্রতি যে পরিমাণ মানুষকে সীমান্তে মিছিল করে আসতে দেখা গেছে তা অভূতপূর্ব। ওই দৃশ্য দেখেই প্রাথমিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র সমস্ত সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

আলোচিত সংবাদ

এ বিভাগের আরও

সর্বশেষ