ঢাকা, -

আলোচিত সংবাদ

জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে ১৯ নভেম্বর

ছবিঃ সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ১৯ নভেম্বর ঘোষণা করা হতে পারে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে। ওইদিন প্রধান নির্বাচন কমিশনার জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে পারেন এবং নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে পারেন।

নির্বাচন আইন অনুযায়ী জাতীয় নির্বাচনের ৪৫ দিন আগে তফসিল ঘোষণা করার কথা। সেই হিসাবে ৪ জানুয়ারির নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখকে যদি ধরা হয় তাহলে ১৯ নভেম্বর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করার কথা।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার আগামী ৯ নভেম্বর মহামান্য রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নির্বাচন বিষয়ে কথা বলবেন। এর আগে তিনি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য কমিশনারদের সাক্ষাতের কথা ছিল গত ৫ নভেম্বর। কিন্তু পরবর্তীতে এই তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে।

বিভিন্ন দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, নির্বাচন কমিশন এখন নির্বাচনের জন্য পুরোপুরিভাবে প্রস্তুত। ইতোমধ্যে খসড়া ভোটার তালিকা তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দুই দফায় সংলাপ হয়েছে। সেখানে ৪৪ টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে বিএনপিসহ ১৮ টি রাজনৈতিক দল অংশ গ্রহণ করেনি।

আরও পড়ুন  ১০ লেনে উন্নীত হবে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, যে সমস্ত রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করেনি তাদের জন্য দরজা খোলা রয়েছে। তারা যে কোনো সময় যে কোনো পরামর্শ নিয়ে আসতে পারে। তবে বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক না করুক নির্বাচন প্রক্রিয়া থেমে থাকবে না বা বসে থাকবে না এমন অভিমত ব্যক্ত করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। আর তাই নির্বাচনের যাবতীয় প্রস্তুতি নিয়ে তিনি কাজ শুরু করেছেন।

৯ নভেম্বর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পরপরই নির্বাচনের অবয়ব পূর্ণতা পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনের ভাষণের মধ্য দিয়ে নির্বাচনের তারিখ, মনোনয়নপত্র দাখিলের দিন, প্রত্যাহারের সময় সহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি ঘোষণা করা হবে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে নির্বাচন কমিশন বদ্ধপরিকর। তবে বিএনপি নির্বাচনে আসবে কি না এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের মধ্যে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। বিএনপি যদি নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত অংশগ্রহণ নাও করে তাহলেও অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করার ক্ষেত্রে কমিশন বদ্ধপরিকর।

আরও পড়ুন  উত্তাল পাকিস্তান, ইসলামাবাদ ও পেশোয়ারে ১৪৪ ধারা জারি

নির্বাচন কমিশনের একজন কমিশনার গণমাধ্যমকে বলেছেন, নির্বাচন একটি সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। আমরা গত কয়েকমাস ধরে ধারাবাহিক ভাবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। তিনি এও বলেছেন ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠকে বেশ কিছু পরামর্শ এসেছে। সমস্ত পরামর্শগুলোর আলোকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার জন্য তারা বদ্ধপরিকর।

আরও পড়ুন  মুরাদনগরের ঘটনায় আওয়ামী সন্ত্রাসীদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতারা দায়ী: আসিফ

বিএনপির সঙ্গে আর কোনো সংলাপের সুযোগ আছে কি না- এমন এক প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনের একজন কমিশনার বলেছেন, অবশ্যই আছে, বিএনপির সঙ্গে অর্থপূর্ণ আলোচনার জন্য কমিশন সব সময় আগ্রহী। বিএনপির যখন যে সময় আলোচনার জন্য আসতে চাইবে নির্বাচন কমিশন তখনই সে সময় আলোচনা করতে প্রস্তুত। তবে বিএনপি যদি অংশগ্রহণ না করে তাহলে নির্বাচন বসে থাকবে না। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদেরকে আমন্ত্রণ জানানোর প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। সব কিছু মিলিয়ে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সমস্ত আয়োজন সম্পন্ন। এখন শুধু হুইসেল বাজানোর অপেক্ষায়। আগামী ১৯ নভেম্বর হয়তো প্রধান নির্বাচন কমিশন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এই হুইসেলটি বাজাবেন।

ট্যাগঃ

আলোচিত সংবাদ

এ বিভাগের আরও

সর্বশেষ