ঢাকা, -

আলোচিত সংবাদ

আখাউড়া-আগরতলা রেলপথের উদ্বোধন কাল

ছবিঃ সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আগামীকাল ১ নভেম্বর উদ্বোধন হতে যাচ্ছে বহু কাঙ্ক্ষিত আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েলগেজ রেলপথ।

এ উপলক্ষে সোমবার (৩০ অক্টোবর) এ রেলপথে ট্রেনের চূড়ান্ত ট্রায়াল রান হয়েছে। এদিন দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে পাঁচটি খালি বগি নিয়ে একটি ট্রেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার গঙ্গাসাগর রেলস্টেশন থেকে যাত্রা করে। ৩৫ মিনিট পর দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে ট্রেনটি ভারতে প্রবেশ করে।

দুই দেশের সীমান্তের শূন্যরেখায় ভারতের নর্থ-ইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ের কর্মকর্তারা ট্রেনটিকে স্বাগত জানান।

এর আগে গঙ্গাসাগরে ট্রেনটিকে বিদায় জানান আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ প্রকল্পের পরিচালক আবু জাফর মিয়া, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টেক্সমেকো রেল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের কান্ট্রি ম্যানেজার শরৎ শর্মা, প্রকল্প ব্যবস্থাপক ভাস্কর বকশিসহ রেলওয়ের কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন  ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা

১ নভেম্বর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রেলপথটির উদ্বোধন করবেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০১৮ সালের জুলাইয়ে আখাউড়া-আগরতলা রেলপথের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ২৪১ কোটি টাকা। পুরো রেলপথটির দৈর্ঘ্য ১২ দশমিক ২৪ কিলোমিটার। এর মধ্যে বাংলাদেশ অংশে পড়েছে ৬ দশমিক ৭৮ কিলোমিটার। প্রকল্পের মেয়াদ দেড় বছর হলেও করোনা মহামারিসহ নানাসংকটে পাঁচ বছর লেগেছে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে। এই রেলপথের কারণে কলকাতার সঙ্গে আগরতলার সময় বাঁচবে প্রায় ১৮ ঘণ্টা।

আরও পড়ুন  ঢাকার মন্তব্যের কড়া প্রতিবাদ জানাল ভারত

আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ প্রকল্পের পরিচালক আবু জাফর মিয়া জানান, প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষ। এখন শুধু প্ল্যাটফরমের কাজ বাকি। তবে ট্রেন চলাচলে কোনো ধরনের সমস্যা হবে না। পহেলা নভেম্বর দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে উদ্বোধনের পর এই রেলপথের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য আরও প্রসার ঘটবে। পাশাপাশি রেলেরও আয় বাড়বে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টেক্সমেকো রেল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের কান্ট্রি ম্যানেজার শরৎ শর্মা বলেন, আগেও এখানে পরীক্ষামূলকভাবে ট্রেন চলেছে। তবে এবার আন্তর্জাতিকভাবে আগরতলা রেলস্টেশন হয়ে নিশ্চিতপুর যাবে ট্রেনটি। রেলপথটি উদ্বোধনের জন্য আমরা প্রস্তুত আছি।

আরও পড়ুন  রাজউকের প্লট পেলেন ‘মুজিব’ সিনেমার নায়ক-প্রযোজক

আখাউড়া-আগরতলা রেলপথটি কলকাতার সঙ্গে আগরতলার দূরত্ব কমাবে প্রায় ১১০০ কিলোমিটার। প্রথমে এই রেলপথে পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল করবে। পরবর্তী সময়ে শুরু হবে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল। এই রেলপথটি চালু হওয়ার পর দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য আরও বাড়বে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। বর্তমানে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে রপ্তানি হওয়া পণ্য আগরতলা থেকে সরবরাহ হয় পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলোতে।

ট্যাগঃ

আলোচিত সংবাদ

এ বিভাগের আরও

সর্বশেষ