ইউক্রেনকে দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছে বিশ্বের ধনী দেশগুলোর জোট জি-৭।
বুধবার (১২ জুলাই) লিথুয়ানিয়ার রাজধানী ভিলনিয়াসে ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করে একটি বিবৃতি দেয়া হয়।
ভিলনিয়াসে অনুষ্ঠিত হয়েছে পশ্চিমা দেশগুলোর প্রতিরক্ষা জোট ন্যাটোর বার্ষিক সম্মেলন। সম্মেলনের শেষ দিনে জি-সেভেনের নেতারা ইউক্রেনকে দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়ে অঙ্গীকারের কথা ঘোষণা করেন। এ জোটে রয়েছে কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, যুক্তরাজ্য ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
তিনি আরও বলেন, আমাদের সমর্থন সুদুর ভবিষ্যতেও স্থায়ী হবে। আমরা ইউক্রেনকে একটি শক্তিশালী, সক্ষম প্রতিরক্ষা গড়ে তুলতে সাহায্য করতে যাচ্ছি।
এ সম্মেলনে অন্যান্য বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও। জি-সেভেনের এই ঘোষণাকে তিনি স্বাগত জানিয়েছেন।
জেলেনস্কি রাশিয়ার আক্রমণের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানালেও তিনি তার দেশের ন্যাটোতে যোগদানের বিষয়ে একটি পরিষ্কার পথের অভাবে হতাশা প্রকাশ করেছেন। তবে জেলেনস্কি এই উদ্যোগটিকে ন্যাটো সদস্যপদ ও রাশিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধের সেতু হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
তিনি বলেন, ইউক্রেনের প্রতিনিধি দল ইউক্রেনের জন্য, আমাদের দেশের জন্য, জনগণের জন্য, শিশুদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা বিজয় এনেছে।
এদিকে, ন্যাটো নেতারা ইউক্রেনের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করার জন্য একটি নতুন ফোরাম চালু করেছে যা ন্যাটো-ইউক্রেন কাউন্সিল নামে পরিচিত। এটি একটি স্থায়ী সংস্থা হিসাবে কাজ করার উদ্দেশে গঠন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে কিয়েভকে পুরো জোটের বৈঠক ডাকার অধিকার দেওয়া হয়েছে।
জি-সেভেনের এই ঘোষণার সমালোচনা করেছে রাশিয়া। দেশটি বলছে তাদের এই উদ্যোগের ফলে রাশিয়ার নিরাপত্তা লঙ্ঘিত হয়েছে। জি-সেভেনের ঘোষণাকে তারা অত্যন্ত বিপজ্জনক বলে উল্লেখ করেছে।














