রাজধানীর গুলিস্তানসংলগ্ন সিদ্দিকবাজারে ভবনে বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন থাকা আওলাদ হোসেন মুসাও (৩৭) চলে গেলেন না ফেরার দেশে। বিস্ফোরণে এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১ জনে। এ ছাড়া আহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ।
বুধবার (৮ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে মারা যান তিনি।
এর আগে বিস্ফোরণের সময় তার চাচাতো ভাই আবু জাফর সিদ্দিক তারেক (৩৩) ঘটনাস্থলেই মারা যান। বিস্ফোরণের সময় তারেক ও মুসা ওই ভবনের ক্যাফে কুইন রেস্টুরেন্টে বসে খাবার খাচ্ছিলেন।
মুন্সীগঞ্জের বালুয়াকান্দি ইউনিয়নের বালুয়ান্দি (পশ্চিম পাড়া) গ্রামের মৃত জামান শফিকের ছেলে মুসা। তিনি পেশায় একজন ফার্মেসি ও হোটেল ব্যবসায়ী ছিলেন। গত মঙ্গলবার স্যানেটারি মালামাল কেনার জন্য তারেক তাকে সঙ্গে নিয়ে সিদ্দিকবাজারে গিয়েছিল। এক বছর আগে বিয়ে করেন তিনি। তিন ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তৃতীয় ছিল আওলাদ হোসেন মুসা।
বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টায় নিহতের লাশ নিয়ে যাওয়া হয় তার নিজ বাড়িতে। পরে সকাল ৯টায় বালুয়াকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে জানাজা শেষে তারেকের কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়।
এদিকে দুই ভাইয়ের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে চারপাশের পরিবেশ।