সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে চট্টগ্রামের বিভিন্ন থানায় ছিনতাইয়ের মামলা হয়েছে ২০টি। এমন অপরাধ বৃদ্ধির পেছনে বিপথগামী পথশিশুদের দায় দিচ্ছেন নগরবাসী।
নগরবাসীর অভিযোগ, দিনে-দুপুরেই ঘটছে ছিনতাই। বাধা দিলে উল্টো মারধরের শিকার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। সচেতনদের মতে, যথাযথ পরিবেশের অভাবে, অপরাধে জড়াচ্ছে এসব শিশু। জেল-জরিমানার চেয়ে, পুনর্বাসনে জোর দিচ্ছে পুলিশ।
চট্টগ্রাম শহরের দুই নম্বর গেইট, জিইসি, নিউমার্কেটসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক মোড়েই পথশিশুদের আনাগোনা দেখা যায়। কাজ না থাকায় সময় কাটায় শুয়ে-বসে। এদের বেশিরভাগই নেশায় আচ্ছন্ন থাকে। আয়েরও পথ নেই তাদের। খরচ চালাতে ছিনতাইয়ে জড়ানোর অভিযোগও আছে তাদের বিরুদ্ধে।
নগরবাসী বলছেন, পথচারী থেকে শুরু করে চলন্ত গাড়ির যাত্রীদের কাছ থেকেও মোবাইল কিংবা দামি জিনিস ছিনিয়ে নেয় তারা। আক্রমণের ভয়ে বাধাও দেন না ভুক্তভোগীরা।
চট্টগ্রাম মহানগর সচেতন নাগরিক কমিটির সভাপতি আখতার কবির চৌধুরী বলেন, সরকারের যে চূড়ান্ত একটি ব্যর্থতা সেটির কারণে আমার আপনার সন্তানের মতোই এই শিশুরা বিপথগামী হয়েছে। অবহেলিত হচ্ছে। সুতরাং জীবিকার জন্য বা নেশাগ্রস্ত হয়ে নেশা করার জন্য তারা এগুলো করছে।
গ্রেপ্তার, জেল-জরিমানা দিয়ে এদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরানো কঠিন। তার চেয়ে পুনর্বাসন জরুরি বলছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) জনসংযোগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার কাজী মো. তারেক আজীজ বলেন, আইনগত ব্যবস্থা নিলে যেটা হবে যে হয়ত এদের পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারবে বা জেল হাজতে পাঠাতে পারে। কিন্তু এতে এই সমস্যার সমাধান হবে না।
চট্টগ্রামে ছিনতাইয়ের ঘটনা বৃদ্ধি পেলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে থানায় অভিযোগ করেন না ভুক্তভোগীরা।














