ঢাকা, -

আলোচিত সংবাদ

চলতি অর্থবছরে ৭৮ হাজার কোটি টাকা ধার নিয়েছে সরকার

ছবি- সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

চলতি অর্থবছর (২০২৪-২৫) অর্থবছরে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে সরকারের ধার নেওয়ার পরিমান বেড়েছে। পহেলা জুলাই থেকে ২০ ফেব্রুয়ারির এক হিসেবে দেখা গেছে, এই সময়ের মধ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংক গুলো থেকে ৭৮ হাজার ৮৩২ কোটি টাকা ধার নিয়েছে সরকার। যা গতবছর একই সময় এই ধারের পরিমাণ ছিলো ৪৫ হাজার ২৩১ কোটি টাকা।

সে হিসেবে গতবছরের তুলনায় চলতি বছর নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সরকারের ধার নেওয়ার পরিমাণ বেড়েছে ৩৩ হাজার ৬০১ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন  ভারতের মহারাষ্ট্রে অগ্নিদুর্ঘটনায় নিহত ৬

সরকার এই টাকা বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে ট্রেজারি বিল ও বন্ড বিক্রি করে ধার নিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, বর্তমানে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে সরকারের বকেয়া ঋণ ৩ দশমিক ৯৭ লাখ কোটি টাকা। তবে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে নেওয়া ঋণের মাধ্যমে সরকার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নেওয়া ধারের ৬২ হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করেছে। ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নেওয়া সরকারের বকেয়া ধারের পরিমাণ প্রায় ৪০ শতাংশ কমেছে। এ ধারের পরিমাণ ২০২৪ সালের জুনের ১ দশমিক ৫৬ লাখ কোটি টাকা থেকে কমে ৯৪ হাজার ৪২ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুন  ইউক্রেনের হামলায় রাশিয়ার শীর্ষ জেনারেল নিহত

সম্প্রতি সরকারের নেওয়া সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংক গুলো থেকে ধার করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ধার পরিশোধ করা হচ্ছে। অর্থনীতিতে থাকা অস্বাভাবিক সম্প্রসারণকে সংশোধনের অংশ হিসেবে এটি করা হচ্ছে।

অর্থনীতিবীদরা বলছেন, সরকারের এ প্রবণতা রিজার্ভ মানির প্রবৃদ্ধি কমিয়ে দিচ্ছে। যার ফলে মূল্যস্ফীতি কমছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, দুর্বল ব্যাংক গুলো থেকে তুলে নেওয়া অর্থ আবারও ব্যাংকিং খাতে ফিরতে শুরু করেছে। বিশেষ করে সবল ব্যাংক গুলোকে। ফলে ব্যাংকিং খাতে তারল্য প্রবাহ বেড়েছে। এর ফলে সরকার যখনই কোন ট্রেজারি বিল ও বন্ড তুলছে- অনেক গুলো ব্যাংক এক সঙ্গে বিট করছে। যার ফলে ১২ শতাংশ পার হয়ে যাওয়া সুদের হার কমে আসতে শুরু করেছে।

আরও পড়ুন  ব্রিকসে যোগ দেয়া বাংলাদেশের জন্য সম্মান ও মর্যাদার: তথ্যমন্ত্রী

আলোচিত সংবাদ

এ বিভাগের আরও

সর্বশেষ