ঢাকা, -

আলোচিত সংবাদ

চিকনদণ্ডীর উপনির্বাচন: ‘রামদা’ হাতে দেখা যুবককে খুঁজছে পুলিশ

মুহাম্মদ সাজ্জাদ। ছবি- ফেসবুক থেকে সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় দলবল নিয়ে এক ভোটারকে বাড়িতে গিয়ে শাসানোর অভিযোগ উঠেছে চিকনদণ্ডী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের চেয়ারম্যান প্রার্থী জহুরুল আলমের বিরুদ্ধে। এ সময় জহুরুল আলমের সঙ্গে থাকা এক অনুসারী রামদা হাতে ওই ভোটারের দিকে বারবার তেড়ে যাচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার চিকনদণ্ডী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বড় দিঘির পাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।

জহুরুল আলম ইউনিয়ন বিএনপির বহিষ্কৃত সদস্য। তাঁর সঙ্গে চেয়ারম্যান পদে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি নুরুল আফসার প্রার্থী হয়েছেন। ২৮ এপ্রিল চিকনদণ্ডী ইউপির উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। চেয়ারম্যান হাসানুজ্জামান বাচ্চুর মৃত্যুতে পদটি শূন্য হয়।

আরও পড়ুন  চট্টগ্রামে পূজামণ্ডপের সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে ১০-১২ জনের একটি দল নিয়ে জামাল উদ্দিন নামের এক ভোটারের ঘরে যান জহুরুল আলম। জামাল উদ্দিন অভিযোগ করেন, নিজ গ্রামের প্রার্থীকে বাদ দিয়ে নুরুল আফসারের পক্ষে কেন কাজ করছেন, তা জামাল উদ্দিনের কাছে জানতে চান জহুরুল। পরে এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ঘর থেকে বেরিয়ে সড়কে এলে সেখানে জহুরুলের সঙ্গে থাকা মুহাম্মদ সাজ্জাদ নামের এক ব্যক্তি রামদা উঁচিয়ে তাঁর দিকে তেড়ে আসেন।

আরও পড়ুন  অজ্ঞাতবাসে থাকা নেতাদের নির্দেশেই চলছে আ.লীগের কর্মসূচী

ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, হাতে রামদা উঁচিয়ে প্রতিপক্ষের সমর্থককে মারতে উদ্যত হয়েছেন সাজ্জাদ। তাঁর কোমরে আরেকটা ছুরি রাখা। তাঁকে থামানোর চেষ্টা করতে দেখা যায় এক ব্যক্তিকে।

চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল আফসার গণমাধ্যমকে বলেন, তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জহুরুল আলম তাঁর দুই সমর্থকের বাড়িতে গিয়ে হামলা করেছেন। তাঁর পক্ষে কাজ না করার জন্য সমর্থক জামাল উদ্দিন (৫০) ও মুহাম্মদ আসিফ (২৫) কে সাজ্জাদ শাসিয়ে গেছেন। তিনি বিষয়টি প্রশাসন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন  বিএনপি নেতা আমানের ১৩ আর টুকুর ৯ বছরের সাজা বহাল

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেন চেয়ারম্যান প্রার্থী জহুরুল আলম।

তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, রামদা উঁচানো সাজ্জাদকে তিনি চেনেন না। ভোটারের ঘরে গিয়ে শাসানো ও হামলার অভিযোগ সত্য নয়। ভিডিওতে তাঁকে দেখা গেছে বললে তিনি বলেন, নির্বাচনের কোনো বিষয় নয়, জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়েছে।

হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, রামদা হাতে দেখা ওই যুবককে খুঁজছে পুলিশ। ভুক্তভোগীকে মামলা করতে বলা হয়েছে।

আলোচিত সংবাদ

এ বিভাগের আরও

সর্বশেষ