ঢাকা, -

আলোচিত সংবাদ

দক্ষিণ বুড়িশ্চরে সীমানা দেয়াল নিয়ে হয়রানির শিকার প্রবাসী দম্পতি

ছবি- সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

হাটহাজারির দক্ষিণ বুড়িশ্চরে বাড়ীর সীমানা দেয়াল নিয়ে ১৭ বছর ধরে ভোগান্তিতে পড়েছেন জসিম উদ্দীন নামে এক কুয়েত প্রবাসী। একটি ঝুকিপূর্ণ সীমানা দেয়ালের কারনে ভুক্তভোগী জসিম দীর্ঘ প্রবাস জীবনের কষ্ঠার্জিত অর্থ দিয়ে জমি কেনার পরও প্রতিবেশীর ঝুকিপূর্ণ দেয়াল যেন সকল স্বপ্ন-আশাকে বিবর্ণ করে রেখেছে। পরিবার নিয়ে ভাড়া বাসায় দিন কাটছে প্রবাসী জসিমের।

ঝুকিপূর্ণ দেয়ালের ভবন মালিক আরেক প্রবাসী সুলতান আলম। এ ভবনটি সুলতান আলমের ভাড়ায় লাগিয়ত বাসা। ভাড়াটিয়ারা মাস শেষে ভাড়া দেন সুলতান আলমের উপার্জন চলমান। কিন্তু অপর প্রবাসী জসিম আজ ১৭ বছর ধরে বাড়ীই করতে পারছেন না ঝুকিপূর্ণ দেয়ালের কারনে। সুলতান আলমের খুটির জোড় একটু বেশী, তাই সকল সালিশ-বৈঠক তার কাছে কিছুই না। বৈঠকে বসে আবার পরক্ষণে সিদ্ধান্ত পাল্টাতে বিন্দুমাত্র সময় লাগেনা। এ যেন ‘বিচার মানি তাল গাছ আমার’ প্রবাদের মত।

আরও পড়ুন  কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্র-ইয়াবাসহ আটক ২

দফায় দফায় অনেক বৈঠক হলেও দীর্ঘ ১৭ বছর আলোর মুখ দেখেনি প্রবাসী জসিম উদ্দীন।

খবর নিয়ে জানা যায়, সুলতান আলম প্রবাসে থাকায় উনার বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রতিনিধিরা এ সমঝোতার বিষয়টাকে দীর্ঘায়িত করছে, মিঠছেনা দুই প্রতিবশীর সমস্যা। প্রতিনিধিরাই সমস্যাটাকে ঝুলিয়ে রেখেছে বলে মন্তব্য করেছেন এলাকার নির্ভরযোগ্য সূত্র। সমস্যা সমাধানে আন্তরিকতাকেই দায়ী করছেন কেউ কেউ।

আরও পড়ুন  হাটহাজারীতে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে দুধর্ষ ডাকাতি

সর্বশেষ একটি অভিযোগ মদুনাঘাট তদন্ত কেন্দ্রে দিয়েছেন সুলতান আলমের ছেলে। যেখানে বিবাদী করা হয়েছে জসিম উদ্দীনকে। হাস্যকর রসাত্নক বিষয় হলো সচরাচর দেখা যায় বিবাদী কালক্ষেপন করে, এখানে তার বিপরীত চিত্র বাদীপক্ষই বার বার সময় ক্ষেপন করছেন। যার সত্যতা নিশ্চিত করেন মদুনাঘাট তদন্ত কেন্দ্রের অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা।

মুঠোফোনে কথা হয় সুলতান আলমের স্ত্রী রুমানা আকতার রুমার সাথে। তিনি জানান, এ বিষয়ে আমি কিছু জানিনা। আমার কাজিন সব জানে, উনি কথা বলবেন। কিছুক্ষণ পরে কাজিন ফোন করে উনার প্রভাব প্রতিপত্তির কথা শোনাল, এ বিষয়ে পাল্টা অভিযোগ জসিমের বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুন  সীতাকুন্ডে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে প্রাণ গেলো পথচারী বাবা ও ছেলের

ভুক্তভোগী জসিম জানান, আমি ১৭ বছর ধরে বাড়ী করতে পারছিনা। আমার প্রতিবেশী সুলতান আলমের একটি সীমানা দেয়াল ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় আছে, যা হেলে পড়েছে আমার জমিতে। কেউ এ দেয়ালটির জন্য কাজ করতে রাজী হয়না। কাজ করার সময় যে কোন সময় দুর্গঘটনা ঘটতে পারে। আমি শেষ বয়সে এসে এখনো নিজের জমিতে নিজে কাজ করতে পারছিনা। ১৭ বছর সকলের কাছে গিয়েছি, অনেক বৈঠকে বসেছি, কোন কিছুই বাস্তবায়ন হয়না। দেয়ালটি ভেঙ্গে নতুন করে গড়লে আমি শেষ বয়সে মাথা গোজার একটা ঠাঁই পেতাম। আমি ন্যায় বিচার চাই।

ট্যাগঃ

আলোচিত সংবাদ

এ বিভাগের আরও

সর্বশেষ