ঢাকা, -

আলোচিত সংবাদ

ফের অচলাবস্থার দিকে যাচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর

ছবি- সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশীদের ইজারা দেয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আন্দোলনরত শ্রমিকদের রাষ্ট্র বিরোধী উল্লেখ করায় ফের উত্তাল হয়ে উঠেছে চট্টগ্রাম বন্দরের পরিস্থিতি। পরবর্তী করণীয় নিয়ে আলোচনা শুরু করেছেন শ্রমিক সংগঠনের নেতারা। এই অবস্থায় ফের অচলাবস্থার দিকে যাচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর।

আন্দোলনে শরিক ১৫ কর্মচারীর স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ তদন্ত করতে দুর্তি দমন কমিশনকে চিঠি দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। একইসাথে এ ১৫ জন রাষ্ট্রবিরোধী কাজের সাথে যুক্ত উল্লেখ করে দেশত্যাগ করতে না পারার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে চিঠিও দেয়া হয়েছে বন্দরের পক্ষ থেকে। চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বৃহস্পতিবার এ অনুরোধ করা হয়।

আরও পড়ুন  বিএনপি'র রূপরেখা রাজনীতির নয়, চক্রান্তের: ওবায়দুল কাদের

যাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে তারা হলেন- বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবীর, অপর সমন্বয়ক মো. ইব্রাহীম খোকন, মো. ফরিদুর রহমান, মো. শফিউদ্দিন, রাশিদুল ইসলাম, আবদুল্লাহ আল মামুন, জহিরুল ইসলাম, খন্দকার মাসুদুজ্জামান, হুমায়ুন কবির, শাকিল রায়হান, মানিক মিজি, শামসু মিয়া, লিয়াকত আলী, আমিনুর রসুল বুলবুল ও মো. রাব্বানী।

এনসিটি বিদেশী প্রতিষ্ঠান ডিপিওর্য়াল্ডকে দেয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে গত শনিবার থেকে কর্মবিরতি শুরু করে শ্রমিক-কর্মচারীরা। গত মঙ্গলবার থেকে তারা টানা কর্মবিরতি শুরু করে। আন্দোলন দমাতে বন্দর কর্তৃপক্ষ তিন দফায় মোট ১৬ কর্মচারীকে বিভিন্ন স্থানে বদলি করে। পরবর্তীতে এদের মধ্যে ১৫ জনকে নতুন করে মংলা ও পায়রা বন্দরে বদলি করা হয়। এই ১৫ জনের বিরুদ্ধে ব্যভস্থা গ্রহণের জন্য নতুন করে চিঠি দেয়া হল। আন্দোলনের কারণে চট্টগ্রাম বন্দরে একপ্রকার অচল হয়ে পড়ে। এর মধ্যে নৌপরিবহন উপদেষ্টা চট্টগ্রাম বন্দরে এসে আন্দোলনকারীদের সাথে বৈঠক করেন।

আরও পড়ুন  প্রত্যাহার হচ্ছে 'সাইবার ট্রাইব্যুনাল'র মামলা

পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে দুইদিনের জন্য কর্মবিরতি স্থগিত করে আন্দোলনকারীরা। বন্দরের সচিবের সই করা চিঠিতে বলা হয়েছে, উক্ত কর্মচারীগণ রাষ্ট্রবিরোধী কাজে জড়িত। এসকল বিপথগামী কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বর্তমানে তদন্ত কার্যক্রম চলমান আছে। তারা যেন দেশত্যাগ করতে না পারে এ ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও এজেন্সিকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করা হল।

আরও পড়ুন  বগুড়ায় শিব-কালী ও শীতলা মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর

চিঠিতে বর্ণিত কর্চমচারীদের সকল স্থাবর অস্থাবর সম্পদ তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নিতেও দুদককে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক হুমায়ুন কবীর বলেন, আমরা বিষয়টি জেনেছে এবং এ বিষয়ে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে।

আলোচিত সংবাদ

এ বিভাগের আরও

সর্বশেষ