বেনাপোল বন্দরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শ্রমিকদের ২ পক্ষের সংঘর্ষে ৩ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সংঘর্ষের ঘটনায় শ্রমিকদের একটি অংশ বন্দরে মালামাল লোড-আনলোড ও পণ্য খালাস বন্ধ করে দেয়।
এ ছাড়া আবারও সংঘর্ষের আশংকায় বন্দর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
আহত শ্রমিকরা হলেন- বেনাপোল বন্দর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি রাজু আহম্মেদ (৪৫), শ্রমিক নেতা হাসেম (৩৩) ও গোলম মোস্তফা (৩৪)।
সোমবার সকালে হঠাৎ করে বেনাপোল বন্দরের স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দীন ও সাবেক পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন সমর্থক শ্রমিকরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে বন্দরের মধ্য থেকে আন্দোলনরত শ্রমিকদের বের করে দেয়। পুলিশ ও আনসার সদস্যরা বন্দরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। বর্তমানে বন্দর এলাকায় থমথমে ভাব বিরাজ করছে।
যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলাল হোসাইন গণমাধ্যমকে বলেন, সকালে শ্রমিকদের মধ্যে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে ২ পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। নিরাপত্তার নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত পুলিশ বন্দর সড়কে টহল দিচ্ছে।














