- ভয়েস অফ এশিয়া - https://voiceofasiabd.net -

ভয়াবহ হামলায় খামেনির মেয়ে-জামাতা ও নাতি নিহত

মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ এখন যুদ্ধের কালো ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যু নিশ্চিতের খবরের পর একে একে বেরিয়ে আসছে ভয়াবহ সব তথ্য।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এবং ইরানি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজের বরাত দিয়ে জানা গেছে, এক ভয়াবহ বিমান হামলায় খামেনির মেয়ে, জামাতা এবং নাতি নিহত হয়েছেন।

এর আগে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক দীর্ঘ পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন যে, খামেনি আর বেঁচে নেই।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশিদের চিকিৎসা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত ভারতীয় হাসপাতালের

ট্রাম্প খামেনিকে ‘ইতিহাসের অন্যতম দুষ্টু ব্যক্তি’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, খামেনির মৃত্যু কেবল ইরানের জনগণের জন্য নয়, বরং সারা বিশ্বের সেইসব আমেরিকানদের জন্য ন্যায়বিচার যারা তার রক্তপিপাসু সন্ত্রাসী দলের হাতে প্রাণ হারিয়েছেন।

ট্রাম্প আরও দাবি করেন যে, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এবং অত্যাধুনিক ট্র্যাকিং সিস্টেমের নজর এড়িয়ে খামেনি বাঁচতে পারেননি। ইসরায়েলের সাথে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমেই এই অপারেশন সফল করা হয়েছে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।

আরও পড়ুন  বান্দরবান সদর হাসপাতালে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ২ নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু

ট্রাম্পের এই দাবির পরপরই আল জাজিরা জানায়, খামেনির পরিবারের সদস্যরাও বিমান হামলার শিকার হয়েছেন।

তবে ইরান সরকার প্রথম থেকেই এই বিষয়টিকে সরাসরি নাকচ করে আসছে। তেহরানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বিষয়টিকে পশ্চিমা বিশ্বের ‘মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ’ এবং অপপ্রচার হিসেবে অভিহিত করেছেন।

ট্রাম্প তার পোস্টে ইরানের সামরিক বাহিনী এবং পুলিশ বাহিনীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, এখন তাদের সামনে দেশ পুনর্গঠনের বড় সুযোগ।

আরও পড়ুন  বোয়ালখালীতে সংখ্যালঘু ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ

যারা যুদ্ধ করতে চান না, তাদের নিরাপত্তার (ইমিউনিটি) আশ্বাস দিয়ে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দেন- এখন তারা নিরাপত্তা পেতে পারে, পরে তারা শুধু মৃত্যুই পাবে!

খামেনি এবং তার পরিবারের সদস্যদের মৃত্যুর এই পরস্পরবিরোধী খবরের জেরে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে।

ইরানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনী এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে এক ধরণের অস্থিরতা দানা বেঁধে উঠছে। সত্যতা যা-ই হোক, এই দাবিগুলো যে বিশ্ব রাজনীতির সমীকরণ বদলে দেবে, তা স্পষ্ট।