তিন মাসের বেশি সময় পর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।
সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার পর কেরাণীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।
গণমাধ্যমকে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানান।
জাতীয় নির্বাচনের আগে ‘‘সরকার পতনের’’ এক দফা দাবিতে ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর মহাসমাবেশ ডেকেছিল বিএনপি। সেদিন দুপুরের আগে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ শুরুর পর কাছেই কাকরাইল মোড়ে দলটির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়।
তা ছড়িয়ে পড়ে শান্তিনগর, নয়াপল্টন, বিজয়নগর, ফকিরাপুল, আরামবাগ এবং দৈনিক বাংলা মোড়ে। পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে রূপ নেয়।
সংঘর্ষের মধ্যে পুলিশ বক্সে আগুন দেওয়া হয়। পুলিশ হাসপাতালে ঢুকে একটি অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দেওয়া হয়, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয় আরও ডজনখানেক যানবাহনে। হামলা করা হয় প্রধান বিচারপতির বাসভবনে।
দৈনিক বাংলা মোড়ে পুলিশ কনস্টেবল আমিরুল ইসলাম পারভেজকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। সংঘাতে প্রাণ যায় যুবদলের মুগদা থানার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নেতা শামীম মোল্লার।
সংঘাতের দুদিন বাদে ৩১ অক্টোবর রাতে ঢাকার শহীদবাগের একটি বাসা থেকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর কয়েক ঘণ্টা পর আদালতে হাজির করা হয় তাকে।
মির্জা আব্বাসের আইনজীবী মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, গত ২৮ অক্টোবরের পর রাজধানীর পল্টন থানায় মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা হয়। আর রমনা থানায় মামলা হয় চারটি। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে ঢাকা রেলওয়ে থানায় আরও একটি মামলা হয়। এর মধ্যে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলায় জড়িত অভিযোগে করা মামলায় জামিন পেয়েছেন মির্জা আব্বাস।
তিনি আরও বলেন, ঢাকা রেলওয়ে থানায় করা মামলা ছাড়া অপর ১০টি মামলায় জামিন পেয়েছেন মির্জা আব্বাস।














