ঝালকাঠি জেলার সুগন্ধা নদীতে বিস্ফোরণ হওয়া তেলবাহী ট্যাংকার সাগর নন্দিনী-২ থেকে তেল অপসারণের সময় ফের বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৯ জন অগ্নিদগ্ধসহ চারজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। তার মধ্যে ১২ জন পুলিশ সদস্য এবং দুজন জাহাজের কর্মচারীর পরিচয় মিলেছে।
সোমবার (০৩ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঝালকাঠি পৌরসভার খেয়াঘাটসংলগ্ন সুগন্ধা নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- কনস্টেবল শওকত, দ্বীপ সিকদার, পলাশ মোল্লা, মো. মেহেদী, নকীব, সাইফুল, লিপন গাইন, এএসআই গণেশ, এসআই আব্দুলদ হাকিম, নায়েক সিদ্দিক, এসআই মোস্তফা কামাল এবং এটিএসআই হেলাল উদ্দিন। এ ছাড়া জাহাজের একজন সুকানি শরিফ আহমেদ এবং আরেকজন বাবুর্চি আহত হন। আহতদের বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল এবং ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে প্রায় সাড়ে ১১ ঘণ্টা পর বিস্ফোরণে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে মঙ্গলবার (৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টায় নিশ্চিত করেন ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক ফিরোজ কুতুবী।
তিনি বলেন, আজ ভোর সাড়ে ৫টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আমরা গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে যৌথভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য কাজ করি। অগ্নিনির্বাপণে বরিশাল বিভাগে মজুত থাকা সব ফোম ব্যবহারের পর খুলনা থেকেও ফোম নিয়ে আসা হয়। কিন্তু সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। তেল পুড়ে নিঃশেষ হয়ে অবশেষে আগুন নিভেছে। আমাদের উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১ জুলাই এ জাহাজে বিস্ফোরণে চারজন নিহত হন। তার হলেন- জাহাজের গ্রিজারম্যান আব্দুস সালাম হৃদয়, মাস্টার ইনচার্জ রুহুল আমীন খান, সুপারভাইজার মাসুদুর রহমান বেলাল এবং ড্রাইভার সারোয়ার হোসেন।














