চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে কোরবানির গরু না দেওয়ায় লাশ হল মির্জাপুর ইউনিয়নে ১নং ওয়ার্ডের সৈয়দ পাড়ার এলাকার বাঁচা মিয়ার বাড়িতে সুমি আক্তার(২০) নামে এক গৃহবধূ।
শুক্রবার (৩০ জুন) সকালে শ্বশুর বাড়িতে সুমির শয়নকক্ষে গলা ফাঁস লাগানে অবস্থা লাশটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত গৃহবধূ উপজেলা ৪নং গুমানমর্দ্দন ইউনিয়নের ৪নং ওর্য়াড, পেশকারহাট এলাকার আশারাফ আলী মুন্সির বাড়ীর মোঃ সিরাজ মিয়ার বড় কন্যা।
নিহত সুমির পরিবার ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, গত ১১মাস পুর্বে সুমি আক্তারে বিয়ে হয় মির্জাপুর ইউনিয়নের সৈয়দ পাড়ার এলাকায় তাজুল ইসলামের সাথে। কোরবানি ঈদে বাপের বাড়ি থেকে স্বামী ও তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন গরু দেওযার জন্য সুমিকে চাপ দেয়। বাপের বাড়ি থেকে কোরাবনি আগের দিন গরু না দিয়ে ছাগল দেওয়ায় কাল হল সুমি আক্তারের।
কোরবানি দিনে শ্বশুর বাড়ি লোকজন অপমান করতে থাকে। পরববর্তী রাতে যথারিতি সুমির রুমে ঘুমাতে যায়।শুক্রবার সকালে শ্বশুর বাড়ির শয়নকক্ষে সুমির ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে পাড়ার লোকজন পুলিশকে খবর দেয়।পরে পুলিশ এসে লাশটি উদ্ধার করে সুরাতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য চমেকে প্রেরন করা হয়েছে। বর্তমানে স্বামী তাজুল ইসলাম প্রবাসে রয়েছেন।
নিহতের মা মিনা আক্তারের দাবি, কোরবানিতে গরুর পরিবর্তে ছাগল দেয়ার জের ধরে মিনাকে নির্যাতন করে হত্যার পর শ্বশুর বাড়ির লোকজন আত্মহত্যা বলে প্রচার করছে।
নিহতের শ্বশুর ফরিদ আহমদ বলেন, কোরবানির কোনো বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়নি। সে কেনো আত্মহত্যা করেছে জানি না।
মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ওসি মো:মনিরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে সুমি আক্তারে আত্মহত্যা করেছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে জানা যাবে হত্যা না আত্মহত্যা। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ অভিযোগ দিলে তা গ্রহণ করা হবে।














