শহীদ কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদাকে (বীর বিক্রম) হত্যার ৪৮ বছর পর মামলা হয়েছে। মামলার এজাহারে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে ‘নির্দেশদাতা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বুধবার (১০ মে) রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় মামলাটি দায়ের করেন নিহতের মেয়ে নাহিদ ইজাহার খান।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরেবাংলা নগর থানার ওসি উৎপল বড়ুয়া।
মামলায় অবসরপ্রাপ্ত মেজর মো. আবদুল জলিলের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
নাজমুল হুদার মেয়ে নাহিদ ইজহার খান গণমাধ্যমকে বলেন, জিয়াউর রহমানের নির্দেশেই আমার বাবাকে হত্যা করা হয় এবং হত্যাকাণ্ডটি ঘটানো হয়।
বর্তমানে বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সরকার ক্ষমতায় আছে উল্লেখ করে নাহিদ বলেন, দেশবাসী ন্যায়বিচার পাচ্ছে। তাই আমি আমার বাবাসহ তিন বীর মুক্তিযোদ্ধা সামরিক কর্মকর্তাকে হত্যার বিচার দাবি করছি। হত্যাকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট তদন্ত করে অনতিবিলম্বে দোষীদের বিচার করা হোক।
ওসি উৎপল বড়ুয়া বলেন, জিয়াউর রহমানের নির্দেশে কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা বীরবিক্রমসহ তিন সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়– এই অভিযোগে নাজমুল হুদার মেয়ে বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় অবসরপ্রাপ্ত মেজর মোহাম্মদ আব্দুল জলিলের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। আমরা মামলার অভিযোগের বিষয়ে খতিয়ে দেখছি, তদন্ত করছি। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গেও কথা বলছি।
উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর মেজর জলিলের নেতৃত্বে তার সহযোগীরা নাজমুল হুদাকে হত্যা করে। মুক্তিযুদ্ধে ৮ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেছিলেন নাজমুল হুদা। এ ছাড়া ওই দিন মেজর জেনারেল খালেদ মোশারফ, কর্নেল এটিএম হায়দার ও কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা, লেফটেন্যান্ট কর্নেল এটিএম হায়দারকেও হত্যা করা হয়।














