ঢাকা, -

আলোচিত সংবাদ

ইনকিলাব মঞ্চের কেউ গুলিবিদ্ধ হয়নি: প্রেস সচিব

ছবি- সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

শহীদ শরীফ ওসমান হাদির হত্যার বিচারের দাবিতে শুক্রবার বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে আয়োজিত বিক্ষোভে ইনকিলাব মঞ্চের কোনো সদস্য গুলিবিদ্ধ হননি বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ তথ্য জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে শুক্রবার বিকেল থেকে ইনকিলাব মঞ্চের ব্যানারে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে বিক্ষোভ শুরু হয়। যমুনা ও আশপাশের এলাকায় বিক্ষোভ নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রথমে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের বল প্রয়োগ করেনি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে এবং একপর্যায়ে জলকামানের ওপর উঠে গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে। এ সময় কোনো ধরনের গুলি ছোড়া হয়নি বলে সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে।

আরও পড়ুন  রাইসি নিহতের ঘটনায় সন্দেহের তীর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের দিকে

জনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্বার্থে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ও সংলগ্ন এলাকায় যেকোনো ধরনের সভা-সমাবেশ, মিছিল, গণজমায়েত ও বিক্ষোভ প্রদর্শন নিষিদ্ধ রয়েছে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, এই প্রেক্ষাপটে পুলিশ সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক ও আইনানুগভাবে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে এ সময় কোনো ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা হয়নি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই ঘটনায় আহত হয়ে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ মোট ২৩ জন চিকিৎসা গ্রহণ করেন। তবে তাদের কারও শরীরে গুলির আঘাত পাওয়া যায়নি বলে চিকিৎসকেরা নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন  আবারও পুলিশ এসকর্ট পাচ্ছেন খালেদা জিয়া

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারে সরকার বদ্ধপরিকর। জাতিসংঘের অধীনে তদন্ত পরিচালনার আইনগত দিক সরকার গভীরভাবে পর্যালোচনা করছে এবং এ বিষয়ে আগামী রবিবার জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠানো হবে।

বিক্ষোভকারীদের ওপর মাত্রাতিরিক্ত বল প্রয়োগের অভিযোগকে ভিত্তিহীন উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, বিভিন্ন মাধ্যমে এ ধরনের যে অভিযোগ ছড়ানো হয়েছে, তা সঠিক নয়।

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে এই সংবেদনশীল রাজনৈতিক সময়ে সবাইকে ধৈর্য, সংযম ও দায়িত্বশীল আচরণ বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে। এতে বলা হয়, দেশের প্রায় ১৮ কোটি মানুষ এই নির্বাচনের অপেক্ষায় রয়েছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টিও বর্তমানে বাংলাদেশের দিকে নিবদ্ধ। বিদেশি বহু সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক ইতোমধ্যে দেশে উপস্থিত হয়েছেন।

আরও পড়ুন  বড় দুটি রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব পরিবর্তনে ‘বিদেশি খেলা’ চলছে: জয়

বিবৃতির শেষাংশে বলা হয়, সরকার একটি উৎসবমুখর, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতা ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করে। দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় আসন্ন নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। দীর্ঘ সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এই নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে সকলের সম্মিলিত দায়িত্বশীল আচরণ অপরিহার্য।

আলোচিত সংবাদ

এ বিভাগের আরও

সর্বশেষ