ঢাকা, -

আলোচিত সংবাদ

চবিতে ছাত্রদল-শিবিরের পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ

ছবি- সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

দেশের সাম্প্রতিক ইস্যুতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ মিছিল করেছে। উভয় সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাল্টাপাল্টি স্লোগানে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ক্যাম্পাসের জিরো পয়েন্ট মোড়।

রবিবার (১৪ জুন) রাত সাড়ে নয়টায় ছাত্রদল ও রাত ১০টায় ছাত্রশিবির বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে। একপর্যায়ে জিরো পয়েন্ট মোড়ে পাল্টাপাল্টি স্লোগান দিতে থাকেন সংগঠন দুটির নেতাকর্মীরা।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিক্ষোভ মিছিল করে শাখা ছাত্রদল। এ সময় ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ‘গুম ও অপহরণের নাটক সাজানোর’ অভিযোগ তুলে সংগঠনটি।

আরও পড়ুন  মার্কিন কনসুলেটে অ-জরুরি কর্মীদের দ্রুত পাকিস্তান ছাড়ার নির্দেশ

মিছিল শেষে জিরো পয়েন্ট মোড়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে করে ছাত্রদল। মিছিল শেষে শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘আমরা এর বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলব। আমরা সহাবস্থান চাই, তবে কোনো ধর্ষককে মেনে নেব না। আগের দিন নাই। এ দিন জুলাই-পরবর্তী দিন।’ ছাত্রদলের মিছিলটি জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে সোহরাওয়ার্দী মোড় প্রদক্ষিণ করে পুনরায় জিরো পয়েন্টে এসে শেষ হয়।

এদিকে আজ সংসদ অধিবেশনে বিএনপির সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী নারীদের হিজাব নিয়ে কটাক্ষ করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করে ইসলামি ছাত্রশিবির। সংগঠনটির নেতাকর্মীরা জিরো পয়েন্ট মোড় থেকে মিছিল শুরু করে।

আরও পড়ুন  আত্মরক্ষার্থে পুলিশ সদস্যদের গুলি করার নির্দেশ দিলেন সিএমপি কমিশনার

মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শাখা ছাত্রশিবিরের ছাত্র অধিকার সম্পাদক মোনায়েম শরীফের সঞ্চালনায় আন্তর্জাতিক ও মানবাধিকার সম্পাদক সাঈদ বিন হাবিব বলেন, বিএনপির একজন সংসদ সদস্য মুখভর্তি দাড়ি রেখে আবার পর্দার বিপক্ষে কথা বলছেন। আমরা ছাত্রদলকে বলব, তারা যেন নিজেদের লাগাম টেনে ধরে। অন্যথায় আমরা আন্দোলনের মাধ্যমে তাদের লাগাম টেনে ধরব।

এ সময় শাখা শিবিরের সভাপতি ইব্রাহীম হোসেন রনি বলেন, জাতীয় সংসদের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় একজন এমপি হিজাব নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। এ ধরনের মন্তব্য একজন ইউপি সদস্যের কাছ থেকেও প্রত্যাশিত নয়। বিএনপির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে যদি নির্দিষ্ট বক্তব্য দিয়ে দিত আমরা হয়তো আন্দোলন করতাম না কারন পাগলের কোনো বিচার নেই। তারা এমন একটি আইন করেছে, যেখানে ছেলে-মেয়ের সম্মতি থাকলে সেটিকে ধর্ষণ হিসেবে গণ্য করা হয় না। এ ধরনের অবস্থান নেওয়ার কারণ হলো, তা না হলে নিজেদের দলের নেতাকর্মীদেরই খুজে পাবে না।

আরও পড়ুন  বায়েজিদে বার্মা কলোনির 'শীর্ষ সন্ত্রাসী সুমন' গ্রেফতার

আলোচিত সংবাদ

এ বিভাগের আরও

সর্বশেষ