কক্সবাজারের রামুতে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় চেয়ারম্যান।
শনিবার (৮ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে রামু উপজেলার কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের পূর্ব কাউয়ারখোপ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রামু উপজেলার কাউয়ারখোপ ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শামসুল আলম।
তিনি জানান, গরু চোরাকারবারীদের সঙ্গে বিজিবির সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারান ওই ব্যক্তি। তিনি একটি দোকানের কর্মচারী ছিলেন।
বিজিবির সদর দপ্তর থেকে জনসংযোগ কর্মকর্তা (পিআরও) মো. শরীফুল ইসলামের পাঠানো এক বার্তায় জানিয়েছে, নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবি টহল দলের ওপর চোরাকারবারীদের অতর্কিত হামলা হয়েছে। বিজিবি-চোরাকারবারীর মধ্যে সংঘর্ষে একজন গুলিবিদ্ধ এবং চারজন বিজিবি সদস্য আহত হয়েছেন।
রামু উপজেলার কাউয়ারখোপ ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শামসুল আলম বলেন, মিয়ানমার থেকে পাচার হয়ে আসা ৬টি গরু জব্দ করে বিজিবির নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা। জব্দ গরুগুলো নিয়ে আসার সময় পাচারের সঙ্গে জড়িত লোকজন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায়। পাচারকারীরা বিজিবির সদস্যদের দিকে ইট-পাটকেল ছোড়ে।
তিনি আরও বলেন, এক পর্যায়ে বিজিবি সদস্যরা গুলি ছোড়ে। এতে স্থানীয় নির্মাণ সামগ্রী দোকান কর্মচারী ঘটনাস্থলে নিহত হন। আহত হন তিনজন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
ঘটনার পরপরই বিজিবির সদস্যরা নিহতের মৃতদেহ নিয়ে গেছে বলেও জানান ইউপি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসাইনের নেতৃত্ব একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেছেন। নিহত আব্দুর জব্বার রামু উপজেলার কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের পূর্ব কাউয়ারখোপ এলাকার মৃত জাকের আহমদের সন্তান।
এ ব্যাপারে বিজিবির নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. রেজাউল করিমের ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
রবিবার (৯ এপ্রিল) রামু থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসাইন বলেন, আমি রাতে ঘটনাস্থলে গিয়েছি। এখনও লাশ পাইনি। তবে স্থানীয়দের কাছ থেকে শুনেছি একজন মারা গেছেন।














