ঢাকা, -

আলোচিত সংবাদ

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ

ছবি- সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসমুক্ত স্বচ্ছ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করে পুনরায় পরীক্ষা গ্রহণের দাবিতে মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে ঘেরাও করেছেন পরীক্ষার্থীরা।

রবিবার (১১ জানুয়ারি) মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর ঘেরাও করে সেখানে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন আন্দোলনকারীরা।

এ সময় তারা নানা স্লোগানে পরীক্ষায় অনিয়ম, জালিয়াতি ও প্রশ্নফাঁস হয়েছে জানিয়ে বাতিলের দাবি করছেন।

প্রশ্নফাঁস, ডিভাইসের মাধ্যমে জালিয়াতিসহ নানা অভিযোগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ-সমাবেশ একদল নিয়োগপ্রত্যাশীরা।

একই সঙ্গে তারা পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেছেন। এ দাবি না মানা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া ঘোষণাও দিয়েছেন তারা।

আরও পড়ুন  শান্তিপূর্ণ পরিবেশ উন্নয়নের পূর্বশর্ত: প্রধানমন্ত্রী

আন্দোলনকারীদের দাবিগুলো হলো-

১) সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করে দ্রুত পরীক্ষা নিতে হবে।

২) সকল চাকরির পরীক্ষা ঢাকায় নিতে হবে এবং প্রতিটি কেন্দ্রে ডিভাইস চেকার ও নেটওয়ার্ক জ্যামার রাখতে হবে।

৩) স্বতন্ত্র কমিটি গঠন করতে হবে এবং তার আওতায় সকল পরীক্ষা নিতে হবে। একই দিনে একই সময়ে একাধিক পরীক্ষা নেওয়া যাবে না।

আরও পড়ুন  হাসিনার পতনের পর প্রথমবার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ

৪) যেসব প্রতিষ্ঠানে বিগত সালে পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের রেকর্ড আছে, তাদের কোনোভাবেই প্রশ্ন প্রণয়ন করার দায়িত্ব দেওয়া যাবে না।

৫) প্রশ্নফাঁস হওয়ার তথ্য প্রমাণিত হলে জড়িত সবাইকে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনতে হবে এবং প্রশ্ন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান প্রধানকে স্বেচ্ছায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ করতে হবে। জানা যায়, গত ৯ জানুয়ারি বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দেশের ৬১ জেলায় (পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা বাদে) একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন  মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব

এতে পরীক্ষার্থী ছিলেন ১০ লাখ ৮০ হাজারের বেশি। পরীক্ষার কয়েকদিন আগে থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নফাঁসের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে ফাঁসকৃত প্রশ্ন ফেসবুকে শেয়ারও করেন। পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, পরীক্ষার দুদিন আগে সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া প্রশ্নের একটি অংশ থেকে হুবহু কয়েকটি প্রশ্ন পরীক্ষায় এসেছে।

এতে প্রশ্নফাঁসের দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে। ২৫ ডিসেম্বর প্রশ্নপত্র জেলা পর্যায়ে পাঠিয়ে দিয়ে তার প্রায় দুই সপ্তাহ পর পরীক্ষা নেওয়ায় চক্রের হাতে প্রশ্নপত্র চলে গেছে বলে অভিযোগ তাদের।

আলোচিত সংবাদ

এ বিভাগের আরও

সর্বশেষ