চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী এলাকা থেকে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের প্রস্তুতিকালে স্টিলের চাকু, ধারালো ক্ষুর এবং চাইনিজ কুড়ালসহ কালা বাচ্চু কিশোর গ্যাং গ্রুপের প্রধান ফরহাদ হোসেনসহ ৬ জনকে আটক করেছে র্যাব-৭।
মঙ্গলবার (১৩ জুন) বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন আমিন কলোনি গলির পাকা রাস্তার পাশ থেকে ছয় জনকে আটক করা হয়।
র্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো.নুরুল আবছার গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
আটককৃতরা হলেন- মো.ফরহাদ হোসেন (২৩), মো. হৃদয় মিয়া (২৪), মো.জুনায়েদ (১৯), মো.আনোয়ার হোসেন বাছা (২৫), মো.ইসমাইল হোসেন (১৫) এবং মো.নুরনবী নাঈম (১৬)।
র্যাব জানিয়েছে, বিভিন্ন ছত্রছায়ায় নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে কিশোররা ব্যবহৃত হচ্ছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাদের অপরাধের ধরনও পাল্টে যাচ্ছে।
এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি, চুরি-ছিনতাই থেকে শুরু করে খুনাখুনিসহ নানা অপরাধে কিশোর-তরুণরা জড়িয়ে পড়ছে। মাদক ব্যবসা ও দখলবাজিতেও তাদের ব্যবহার করা হচ্ছে। নানা অপরাধে জড়িয়ে কিশোররা ক্রমেই অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠছে। বিভিন্ন নামের কিশোর গ্যাং গ্রুপ কর্তৃক আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি, চুরি-ছিনতাই, মাদক ব্যবসা এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ডে লিপ্ত কিশোর গ্যাং সদস্যদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য র্যাব-৭, চট্টগ্রাম মহানগর জুড়ে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।
র্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো.নুরুল আবছার জানান, দৃষ্কৃতকারী কিশোর গ্যাং সদস্যরা দেশিয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন আমিন কলোনি গলির পাকা রাস্তার পাশে নিভৃত স্থানে সমবেত হওয়ার সংবাদের ভিত্তিতে গত মঙ্গলবার অভিযান চালিয়ে কালা বাচ্চু নামক কিশোর গ্যাং গ্রুপের প্রধান মো.ফরহাদ হোসেনসহ ছয়জনকে আটক করা হয়। বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসী ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নিমিত্তে তারা একত্রিত হয়েছিল। আটককৃতদের দেহ তল্লাশি করে দেশিয় অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, কালা বাচ্চু কিশোর গ্যাং বায়েজিদ থানা এলাকায় স্থানীয়ভাবে রাস্তায় সংঘবদ্ধ হয়ে মারামারি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও এলাকায় প্রভাব বিস্তার করাসহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত। এছাড়াও এই গ্যাং এর সদস্যরা প্রকাশ্যে দিনে-দুপুরে এলাকায় সাধারণ কিশোরদের মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদান, দেশিয় অস্ত্রশস্ত্র প্রদর্শন এবং মাদক সেবন করে বলে জানা যায়। আটককৃতদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।














