ঢাকা, -

আলোচিত সংবাদ

স্ত্রীর সাথে ঝগড়া, নিজ রাইফেলের গুলিতে পুলিশ কনস্টেবলের আত্মহত্যা

ছবিঃ সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

পঞ্চগড়ে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় নিজ রাইফেলের গুলিতে এক পুলিশ কনস্টেবল আত্মহত্যা করেছে।

বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) রাত আড়াইটায় জেলা শহরের সোনালী ব্যাংকের ভেতরে পুলিশ বক্সে এ ঘটনা ঘটে।

পঞ্চগড় সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল লতিফ মিয়া ঘটনার এ তথ্য জানান।

স্ত্রীর সাথে ঝগড়ার পর অভিমান করে নিজ রাইফেল দিয়ে গলায় গুলি করে আত্মহত্যা করেছে বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন।

নিহত কনস্টেবল ফিরোজ আহম্মেদের (২৭) বাড়ি দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার মির্জাপুর আফতাবগঞ্জ এলাকায়। সে ওই এলাকার আবু সাঈদের ছেলে।

আরও পড়ুন  ‘টাইগারপাস-সিআরবি'র শতবর্ষী গাছ কাটবে সিডিএ, পরিবেশকর্মীদের 'না'

ঘটনার পর পুলিশ সুপার এসএম সিরাজুল হুদাসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে আসেন।

ওসি আব্দুল লতিফ মিয়া জানান, ফিরোজ গত ৩১ জুলাই পঞ্চগড় সোনালী ব্যাংক নিরাপত্তার প্রহরী হিসেবে (গার্ডে) যোগদান করেছিল। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে জেলা শহরের পঞ্চগড় সোনালী ব্যাংক প্রধান শাখায় দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় নিজ রাইফেল দিয়ে গলায় গুলি করে। এসময় অন্যান্য সহকর্মীরা গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ফিরোজকে উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নেন। পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মির্জা সাইদুল ইসলাম তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন  মদুনাঘাটে ১০০ লিটার ছোলাই মদসহ সিএনজি জব্দ, আটক ২

সুরতহাল ও ময়নাতদন্তের পর কনস্টেবল ফিরোজের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানান ওসি।

পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মির্জা সাইদুল ইসলাম জানান, রাত আড়াইটার সময় ফিরোজকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসেন তার সহকর্মীরা। এসময় তার মুখ, নাক, কান ও মাথা দিয়ে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।

আরও পড়ুন  ফের হারুয়ালছড়ির ইকবাল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা

পুলিশ, হাসপাতাল ও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ফিরোজ তার স্ত্রী উপমার সাথে মোবাইলে কথা বলছিলেন। এক পর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে ফিরোজ গলায় গুলি চালায়। ফিরোজের স্ত্রী উপমাও পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।

ট্যাগঃ

আলোচিত সংবাদ

এ বিভাগের আরও

সর্বশেষ