চট্টগ্রামে আবদুল্লাহ আল মামুন নামে এক শিক্ষানবিশ আইনজীবির মৃত্যুর পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার স্ত্রীকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) রাতে মিয়ার বাপের মসজিদ এলাকায় একটি ভবনে এই ঘটনা।
চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মৃত মামুন কক্সবাজারের চকরিয়া থানার ওসমান চৌধুরী পাড়ার জামাল উদ্দিনের ছেলে। তিনি বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। বর্তমানে চট্টগ্রাম আদালতে শিক্ষানবীশ আইনজীবী হিসেবে কর্মরত।
পারিবারিক কলহের জেরে মামুনকে তার স্ত্রী অণ্ডকোষ চেপে হত্যা করেছে বলে দাবি মামুনের বন্ধুদের।
মামুনের বন্ধু নাসির আলী বলেন, বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) ভোর ৪টার দিকে তার স্ত্রী ও স্ত্রীর কয়েকজন বন্ধু মামুনকে মৃত অবস্থায় বেসরকারি পার্কভিউ হাসপাতালে নিয়ে আসে। খবর পেয়ে আমরা বন্ধুরা ঘটনাস্থলে যাই। পরে মামুনের স্ত্রী ও তার স্ত্রীর বন্ধুরা জানিয়েছিল মামুন আত্মহত্যা করেছে। মামুনের শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন দেখে প্রশ্ন করলে মামুনের স্ত্রীর বন্ধুরা ঘটনাস্থল থেকে সটকে যান।
তিনি বলেন, প্রেমের সম্পর্কে এক বছর আগে বিয়ে করেছিল মামুন। তার পরিবারে অভাব ছিল। এসব নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া লেগে থাকত। মামুনকে অণ্ডকোষ চেপে হত্যা করা হতে পারে। আমরা চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সহযোগিতা পাচ্ছি। মামলার প্রস্তুতি চলছে।
ওসি মনজুর কাদের বলেন, মামুন নামে একজন শিক্ষানবিশ আইনজীবীর মৃত্যুর ঘটনায় তার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। প্রথমে তার স্ত্রী জানিয়েছিল মামুন আত্মহত্যা করেছেন, কিন্তু মামুনের মাথার পেছনে ও অণ্ডকোষে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার স্ত্রী তানিয়াকে আটক করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।














