রাঙামাটি সদর উপজেলার কুতুকছড়ি এলাকায় সশস্ত্র হামলায় ধর্মশিং চাকমা (৪২) নামে এক ইউপিডিএফ নেতা নিহত হয়েছেন। তিনি ইউপিডিএফ-এর সহযোগী সংগঠন গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি ছিলেন।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) ভোরে নিজ বাড়িতে অবস্থানকালে এই হামলার শিকার হোন তিনি। এ সময় তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে তাঁর দুই বোন ভাগ্যশোভা চাকমা ও কৃপাসোনা চাকমা গুলিবিদ্ধ হোন।
স্থানীয় ও ইউপিডিএফ সূত্রে জানা গেছে, ধর্মশিং চাকমা সাংগঠনিক কাজ শেষে ‘বিজু’ উৎসব উপলক্ষে বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। ভোরে ২০-৩০ জনের একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী তাঁর বাড়ি ঘেরাও করে। ধর্মশিং পালানোর চেষ্টা করলে সন্ত্রাসীরা তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়, এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। আহত দুই বোনকে রাঙামাটি সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ইউপিডিএফ-এর মুখপাত্র অং মারমা এই হত্যাকাণ্ডের জন্য সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জেএসএসকে দায়ী করেছেন। তবে জেএসএস-এর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সকাল থেকেই রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের বিভিন্ন স্থানে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ ও বিক্ষোভ মিছিল করছে ইউপিডিএফ সমর্থকরা।
রাঙামাটির কোতোয়ালি থানার ওসি মো. জসীম উদ্দিন জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে রওনা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।














