ঢাকা, -

আলোচিত সংবাদ

২০৩০ ফুটবল বিশ্বকাপে ৬৪ দলের খেলার সম্ভাবনা যাচাইয়ে মাঠে নামছে ফিফা

ছবি- সংগৃহীত

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে আরও একটি বড় পরিবর্তনের পথে হাঁটতে পারে ফিফা। ২০৩০ সালের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা ৪৮ থেকে বাড়িয়ে ৬৪ করা যায় কিনা, তা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্ভাব্যতা যাচাই শুরু করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের দেখা একটি গবেষণা নথি অনুযায়ী, ফিফা একটি স্বাধীন সংস্থা নিয়োগ দিতে চায়। যারা ৪৮ দলের পরিবর্তে ৬৪ দল নিয়ে বিশ্বকাপ আয়োজনের সম্ভাবনা, সুফল-চ্যালেঞ্জ এবং আর্থিক প্রভাব বিশ্লেষণ করবে।

এর আগে ২০২৬ বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা ৩২ থেকে বাড়িয়ে ৪৮ করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় অনুষ্ঠিত সেই আসরে নতুন ফরম্যাটে ১২টি গ্রুপ, অতিরিক্ত নকআউট রাউন্ড এবং মোট ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়, যা টুর্নামেন্টের দৈর্ঘ্যও পাঁচ সপ্তাহের বেশি বাড়িয়ে দেয়।

আরও পড়ুন  কর্ণফুলী পেপার মিলে আগুন

২০২৫ সালে দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল সংস্থা-কনমেবল আনুষ্ঠানিকভাবে ২০৩০ বিশ্বকাপে ৬৪ দল রাখার প্রস্তাব দেয়। তাদের যুক্তি ছিল, বিশ্বকাপের শতবর্ষ উদ্‌যাপনের বিশেষ আসরে আরও বেশি দেশকে অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া উচিত। ফিফা এখন সেই প্রস্তাবের বাস্তবতা যাচাই করতে চায়। ৬৪ দলের টুর্নামেন্ট বিশ্বকাপকে আরও শক্তিশালী করবে নাকি প্রতিযোগিতার মান, সূচির অতিরিক্ত চাপ, আয়োজনে জটিলতা ও বাজারে আগ্রহ কমে যাওয়ার মতো ঝুঁকিগুলো সম্ভাব্য লাভকে ছাড়িয়ে যাবে; এসব দেখা হবে গবেষণায়।

স্বাধীন সংস্থাটি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিশ্লেষণ করবে। এর মধ্যে রয়েছে-

আরও পড়ুন  ‘ফিল্মি স্টাইলে’ চাঁদাবাজি: পদ হারালেন বিএনপি'র 'কিং আলী ও ঝন্টু'

১) টুর্নামেন্টের প্রতিযোগিতার মান ও ভারসাম্য

২) বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের কাঠামোর পরিবর্তন

৩) খেলোয়াড়দের শারীরিক চাপ ও কল্যাণ

৪) আন্তর্জাতিক ফুটবল ক্যালেন্ডারের ওপর প্রভাব

৫) আয়োজনে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও পরিচালনাগত সক্ষমতা

৬) টিকিট বিক্রি, সম্প্রচারস্বত্ব ও স্পন্সরশিপ থেকে সম্ভাব্য অতিরিক্ত আয়

ফিফার গবেষণা নথিতে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত সুপারিশে অতিরিক্ত আর্থিক মূল্য সৃষ্টি হবে কিনা শুধু তাই নয়, সেই মূল্য দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হবে কিনা সেটিও স্পষ্ট করতে হবে।তবে প্রস্তাবটি নিয়ে সবাই একমত নন। উয়েফা সভাপতি আলেকসান্দার চেফেরিন আগেই ৬৪ দলের বিশ্বকাপের বিরোধিতা করে এটিকে ‘ভালো ধারণা নয়’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। ইউরোপীয় ফুটলবের নিয়ন্ত্রক সংস্থার অবস্থান এখনও অপরিবর্তিত রয়েছে।

আরও পড়ুন  চাকসু নির্বাচনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহের শেষ দিন আজ

এদিকে এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (এএফসি) এর সভাপতি শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল খলিফাও প্রশ্ন তুলেছিলেন, বিশ্বকাপের পরিধি বাড়ানোর এই ধারা শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে থামবে।

ফিফা জানিয়েছে, গবেষণা পরিচালনার জন্য কোন সংস্থাকে দায়িত্ব দেয়া হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে ১৪ আগস্ট। নির্বাচিত সংস্থাকে মাত্র চার সপ্তাহের মধ্যে, অর্থাৎ ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণী প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

বিশ্বকাপের শতবর্ষের আসর ২০৩০ যৌথভাবে আয়োজন করবে মরক্কো, পর্তুগাল ও স্পেন। পাশাপাশি শতবর্ষ উদ্‌যাপনের অংশ হিসেবে উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়ে একটি করে ম্যাচ আয়োজন করবে।

আলোচিত সংবাদ

এ বিভাগের আরও

সর্বশেষ